প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 17, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 8, 2025 ইং
ড. ইউনূসকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশি পণ্যে ৩৫% শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের

ড. ইউনূসকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশি পণ্যে ৩৫% শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের
আন্তর্জাতিক ডেক্স- ভোরের শরীয়তপুর
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে ৩৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি জানিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে, যিনি যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত রয়েছেন।
চিঠিতে ট্রাম্প জানান, আগামী ১ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ থেকে আমদানি হওয়া সব ধরনের পণ্যের ওপর ৩৫ শতাংশ হারে শুল্ক কার্যকর হবে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ঘাটতির কারণ হিসেবে বাংলাদেশের শুল্ক ও অশুল্ক বাধাগুলোকেই দায়ী করা হয়েছে।
ট্রাম্প লিখেছেন,
বাংলাদেশের সঙ্গে বহু বছর ধরে চলা বাণিজ্য আলোচনা শেষে আমরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি যে, চলমান শুল্ক ও বাণিজ্য নীতিগত বাধাগুলো মার্কিন অর্থনীতির জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। তাই এই পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য।”
তিনি আরও বলেন, এই শুল্ক হার বাস্তবিক অর্থে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতির তুলনায় ‘অনেক কম’। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন—বাংলাদেশ যদি পাল্টা ব্যবস্থা নেয়, তাহলে শুল্ক হার আরও বাড়বে।
চিঠিতে ট্রাম্প এমনকি শুল্ক ছাড়ের বিকল্পও দিয়েছেন—বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে উৎপাদন স্থাপন করে, তবে তাদের ওপর কোনো আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।
চিঠির শেষভাগে ট্রাম্প লিখেছেন,
“আমরা আগ্রহী বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিতে, তবে শর্ত হলো—বাংলাদেশকে শুল্ক ও অশুল্ক প্রতিবন্ধকতা দূর করে মার্কিন বাজারে প্রবেশ সহজ করতে হবে।”
চিঠিতে ট্রাম্প এমনকি শুল্ক ছাড়ের বিকল্পও দিয়েছেন—বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে উৎপাদন স্থাপন করে, তবে তাদের ওপর কোনো আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।
চিঠির শেষভাগে ট্রাম্প লিখেছেন,
আমরা আগ্রহী বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব আরও এগিয়ে নিতে, তবে শর্ত হলো—বাংলাদেশকে শুল্ক ও অশুল্ক প্রতিবন্ধকতা দূর করে মার্কিন বাজারে প্রবেশ সহজ করতে হবে।”
উল্লেখযোগ্যভাবে, গত এপ্রিলেও ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল, যা ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হলেও পরে বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার কারণে তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। সেই স্থগিতাদেশ ৯ জুলাই শেষ হওয়ার আগেই এবার নতুন হারে শুল্ক আরোপের ঘোষণা এল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও কৃষিপণ্য খাতে এর প্রভাব হতে পারে উল্লেখযোগ্য।
© ২০২৫, ভোরের শরীয়তপুর। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।